Bangla : Islami Ain O Bichar

ইসলামী আইন ও বিচার (Islami Ain O Bichar) ইসলামী আইন ও বিচার (Islami Ain O Bichar)

 

ইসলামী আইন ও বিচার” জার্নালের ৬৯তম  ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স সংখ্যায় লেখাআহ্বান।

ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালটি (ISSN 1813-0372/ E-ISSN- 2518-9530) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত (রেজিঃ নং DA-6100) একটি ত্রৈমাসিক গবেষণা জার্নাল। যা নিয়মিত প্রকাশনার ১৭ বছর অতিক্রান্ত হয়ে ১৮ তম বর্ষে পদার্পন করতে যাচ্ছে। এর প্রকাশিত ৬৭টি সংখ্যায় এ পর্যন্ত ইসলামের আইনতত্ত্ব, বিচারব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং, অর্থনীতি, সমাজনীতি, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ের ইসলামী সমাধান সম্বলিত তিনশতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। জার্নালটি বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ, আরবী, ইসলামিক থিওলজি, ধর্মতত্ত্ব ও আইন বিভাগের শিক্ষকদের পদোন্নতি এবং এমফিল থেকে পিএইচডিতে উন্নীতকরণ, পিএইচ-ডি গবেষণা ও একাডেমিক কাজে গবেষণা জার্নাল হিসেবে স্বীকৃত। তাছাড়া জার্নালটির একটি উচ্চমানের সম্পাদনা বোর্ড, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের নিয়ে একটি রিভিউ প্যানেল এবং বিশ্ববরেণ্য ইসলামী গবেষকগণের সমন্বয়ে গঠিত একটি উপদেষ্টা পরিষদ রয়েছে। জার্নালে প্রকাশের জন্য লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে Double-Blind Peer Review পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। উল্লেখ্য জার্নালটি আন্তর্জাতিক গবেষণা মান নিয়ন্ত্রণকারী কয়েকটি সংস্থার ইনডেক্সভুক্ত এবং এর নিজস্ব ইমপেক্ট ফ্যাক্টর রয়েছে। বর্তমানে প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি http://islamiainobichar.com ওয়েব সাইটে এর অনলাইন ভার্সনও প্রকাশিত হচ্ছে।

জার্নালটির আগামী ৬৯তম [জানুয়ারী-মার্চ ২০২২] সংখ্যাটি ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ক প্রবন্ধ সম্বলিত বিশেষ সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশেষ সংখ্যার বিষয়

১. ইসলামী ব্যাংকিংয়ে বহুল চর্চিত প্রোডাক্টসমূহের প্রায়োগিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন সম্ভাবনা

২. জনবান্ধব নতুন বিনিয়োগ প্রোডাক্ট উদ্ভাবন : শরীআহ গাইডলাইন

৩. ইসলামী ব্যাংকিং সার্ভিসেস [ব্যাংক কার্ড, রেমিটেন্স, এলসি, ব্যাংক গ্যারান্টি ইত্যাদি] এর শরীআহ পর্যালোচনা

৪. অমিমাংসিত/ মতবিরোধপূর্ণ শরীআহ ইস্যুর সমাধান [কিস্তি পরিশোধে বিলম্বের কারণে জরিমানা আরোপ, বিনিয়োগ গ্রহীতাকে ক্রয়প্রতিনিধি নিয়োগ ইত্যাদি]

৫. আর্থিক সংকট ব্যবস্থাপনায় ইসলামী ব্যাংকের করণীয় : প্রেক্ষাপট কোভিড-১৯

৬. শরীআহ গভর্নেন্স : কাঠামো, প্রয়োজনীয়তা ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট

৭. ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা ও নীতিমালা

৮. শরীআহ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দানে উসুলুল ফিকহে পারদর্শীতার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা

৯. ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স সংশ্লিষ্ট কাওয়াঈদ ফিকহিয়্যাহ : প্রায়োগিক বিশ্লেষণ

১০. ইসলামী আর্থিক বাজার : অর্থ বাজার, পুঁজি বাজার, স্টক এক্সচেঞ্জ, বন্ড, শেয়ার

১১. বাংলাদেশে ইস্যুকৃত সুকূক : আন্তর্জাতিক অনুশীলন ও শরীআহর আলোকে পর্যালোচনা

১২. ইসলামী জীবনবীমা / সাধারণ বীমা/ তাকাফুলের মডেল ভিত্তিক পর্যালোচনা

১৩. ক্রউড ফাইন্যান্স : পরিচয়, পদ্ধতি, কর্মকৌশল, শরীআহ নীতিমালা

১৪. ইসলামিক সোস্যাল ফাইন্যান্স

১৫. ফাইন্যান্সিয়াল টেকনোলজি (ফিনটেক) ও ইসলামী ব্যাংকিং

১৬. ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফা বণ্টন পদ্ধতি : ধরন, বৈশিষ্ট্য, শরীআহ পরিপালনে উপযুক্ততা

১৭. ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সে উচ্চশিক্ষা : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

১৮. গ্রামীণ উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকসমূহের কর্মকৌশল ও উন্নয়ন প্রস্তাবনা [মাইক্রোফাইন্যান্স/ এজেন্ট ব্যাংকিং]

  • এ ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকিং ও ফ্যাইন্যান্স সম্পর্কিত যে কোনো আধুনিক ইস্যু
  • প্রবন্ধ রচনার পূর্বে ০১৭১৬৮৫৫৩৫৭ নং (ওয়াটসঅ্যাপ) অথবা islamiainobichar@gmail.com ইমেইলে যোগাযোগ করে শিরোনাম নিশ্চিত করে নিতে হবে যাতে একই বিষয়ে একাধিক প্রবন্ধ রচিত না হয়।

প্রবন্ধের ভাষা ও বানান রীতি

  • প্রবন্ধটি বাংলা ভাষায় রচিত হতে হবে। তবে প্রয়োজনে ভিন্ন ভাষার উদ্ধৃতি প্রদান করা যাবে।
  • প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে, তবে আরবী শব্দের ক্ষেত্রে ইসলামী ভাবধারা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

পাণ্ডুলিপি তৈরি

  • পাণ্ডুলিপি অবশ্যই লেখক/লেখকগণের মৌলিক গবেষণা (Original Research) হতে হবে। অন্যের লেখা থেকে গৃহীত উদ্ধৃতির পরিমাণ প্রবন্ধের একচতুর্থাংশের কম হতে হবে।
  • যৌথ রচনা হলে আলাদা পৃষ্ঠায় লেখকগণের কে কোন অংশ রচনা করেছেন বা প্রবন্ধ প্রণয়নে কার অবদান কতটুকু তার বিবরণ দিতে হবে।
  • প্রবন্ধের শব্দসংখ্যা সর্বনিম্ন ৩০০০ (তিন হাজার) এবং সর্বোচ্চ ৮০০০ (আট হাজার) এর মধ্যে হতে হবে।
  • কম্পিউটার কম্পোজ করার জন্য বাংলা বিজয় কী-বোর্ড এর Sutonny MJ অথবা ইউনিকোড কী-বোর্ড Solaimanlipi এর ফন্ট ব্যবহার করতে হবে।

প্রবন্ধের কাঠামো

  • সারসংক্ষেপ: প্রবন্ধের শুরুতে ১০০-১৫০ শব্দের মধ্যে একটি সারসংক্ষেপ (Abstract) থাকতে হবে। এ সারসংক্ষেপে প্রবন্ধের উদ্দেশ্য, প্রবন্ধে ব্যবহৃত গবেষণা পদ্ধতি ও গবেষণান্তে প্রাপ্ত ফলাফল সম্পর্কে ইঙ্গিত থাকবে।
  • মূলশব্দ: সর্বাধিক ৫টি মূলশব্দ (Keywords) উল্লেখ করতে হবে।
  • ইংরেজি অনুবাদ: প্রবন্ধের শিরোনাম, লেখকের নাম, লেখকের পরিচয়, সারসংক্ষেপ ও মূলশব্দ বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদও দিতে হবে।
  • ভূমিকা: প্রবন্ধের ভূমিকায় বিষয়ের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও প্রবন্ধ রচনার যৌক্তিকতা সংক্ষেপে উপস্থাপন করতে হবে।
  • মূল আলোচনা: মূল আলোচনায় অবশ্যই লেখকের নিজস্ব চিন্তার প্রতিফলন ঘটবে এবং প্রবন্ধের বিষয়বস্তু কেন্দ্রিক হতে হবে। প্রবন্ধ প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্বের সাহিত্য কর্ম থেকে কোন সহযোগিতা নেয়া হলে বস্তুনিষ্ঠতার সাথে যথাযথ উদ্ধৃতি প্রদান করতে হবে। প্রবন্ধে অনুসৃত গবেষণা পদ্ধতি অনুযায়ী যথার্থ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
  • উপসংহার: প্রবন্ধ থেকে প্রাপ্ত ফলাফল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা বাস্তবায়নের গুরুত্ব ও উপকারিতা এবং আইনের ইসলামিকরণে এর ভূমিকা ও সুপারিশ তুলে ধরতে হবে।

উদ্ধৃতি উপস্থাপন নীতিমালা

একাডেমিক চৌর্যকর্ম (Plagiarism) পরিত্যাগের জন্য ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালে উদ্ধৃতি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নীতিমালা অনুসরণ আবশ্যিক:

  • হুবহু/প্রত্যক্ষ উদ্ধৃতি ৩০ শব্দের কম হলে চলমান লাইনে উভয় পাশে উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে এবং ৩০ শব্দের বেশি হলে মূল লেখা থেকে এক স্পেস নিচে ভিন্ন প্যারায় দুই পাশে অতিরিক্ত মার্জিন রেখে উল্লেখ করতে হবে। কোন সূত্র থেকে একই স্থানে অর্ধ পৃষ্ঠার অধিক হুবহু উদ্ধৃতি গ্রহণযোগ্য নয়।
  • উদ্ধৃতি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বাক্যের মধ্যকার এক বা একাধিক শব্দ বা কিছু অংশ উহ্য রাখার প্রয়োজন হলে পরপর অনধিক তিনটি বিন্দু (...) উল্লেখ করতে হবে।
  • এ পত্রিকায় রেফারেন্স (ইন টেক্সট উদ্ধৃতি ও গ্রন্থপঞ্জি) উল্লেখের ক্ষেত্রে Chicago Manual of Style এর Author-Date পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে এবং ইন-টেক্সট উদ্ধৃতি ও গ্রন্থপঞ্জি ইংরেজি প্রতিবর্ণায়নে উল্লেখ করতে হবে।
  • এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য দ্রষ্টব্য : http://islamiainobichar.com/index.php/iab/about/submissions#authorGuidelines

অনুবাদ নীতিমালা

কুরআন ও হাদীসের অনুবাদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত অনুবাদ অনুসরণ করে চলিত রীতিতে রূপান্তর করতে হবে। ভিন্ন ভাষার উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে মূল TEXT সহ বাংলা অনুবাদ দিতে হবে।

প্রবন্ধ জমাদান প্রক্রিয়া

  • পাণ্ডুলিপি কম্পিউটার কম্পোজ করে ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালের ওয়েব সাইটে www.islamiainobichar.com এ গিয়ে প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে আপলোড করতে হবে।
  • অথবা বিকল্প হিসেবে প্রবন্ধের সফট কপি সম্পাদকের ই-মেইলে islamiainobichar@gmail.com পাঠাতে হবে এবং ইসলামিক ল’রিসার্চের ই-মেইলে (islamiclaw_bd@yahoo.com) সিসি (c.c) করতে হবে।

প্রকাশের জন্য লেখা নির্বাচন

  • জমাকৃত প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য কমপক্ষে দু’জন বিশেষজ্ঞ দ্বারা পিয়ার রিভিউ (Peer Review) করানো হয়।
  • রিভিউয়ের জন্য প্রেরণের সময় প্রবন্ধকারের নাম পরিচয় ও রিভিউয়ারগণের পরিচিতি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয় (Double Blind Review)।
  • রিভিউ রিপোর্ট এবং সম্পাদনা পরিষদের মতামতের ভিত্তিতে প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য চূড়ান্ত করা হয়।

অন্যান্য জ্ঞাতব্য

১. প্রবন্ধ প্রকাশিত হলে লেখক/গণ জার্নালের ২ (দুই) কপি এবং প্রবন্ধের ৫ (পাঁচ) কপি অফপ্রিন্ট বিনামূল্যে পাবেন।

২. প্রকাশিত প্রবন্ধের ব্যাপারে কারো ভিন্নমত থাকলে এবং তা যুক্তিযুক্ত, প্রামাণ্য ও বস্তুনিষ্ঠ মনে করা হলে উক্ত সমালোচনা জার্নালে প্রকাশ করা হয়।

৩. প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য প্রাথমিকভাবে গৃহিত হলে সম্পাদক ও রিভিউয়ারের নির্দেশনা অনুযায়ী লেখককে প্রবন্ধ সংশোধন করে পুনরায় জমা দিতে হয়, অন্যথায় তা প্রকাশ করা হয় না।

৪. জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধের কপিরাইট সেন্টার সংরক্ষণ করবে। প্রবন্ধের লেখক তার প্রকাশিত প্রবন্ধ অন্য কোথাও প্রকাশ করতে চাইলে সম্পাদক-এর নিকট থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

৫. সম্পাদনা পরিষদ প্রবন্ধে যে কোন প্রকার পরিবর্তন ও পরিমার্জন করার অধিকার রাখেন।

৬. যে কোন প্রবন্ধ প্রকাশ বা বাতিলের পূর্ণ অধিকার Editorial Team সংরক্ষণ করেন।

৭. এ সম্পর্কে কোন তথ্য জানার প্রয়োজন হলে www.islamiainobichar.com সাইটে, editor@islamiainobichar.com ইমেইলে কিংবা ০১৭৬১৮৫৫৩৫৭ নাম্বারে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

     লেখা জমা দেয়ার শেষ তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

[উক্ত তারিখের পরে জমা হলে তা পরবর্তী সংখ্যার জন্য বিবেচনা করা হবে]

ধন্যবাদান্তে

প্রফেসর ড. আহমদ আলী
সম্পাদক, ইসলামী আইন ও বিচার

৫৫/বি, পুরানা পল্টন, নোয়াখালী টাওয়ার, স্যুইট: ১৩/বি (লিফট ১২)
ঢাকা- ১০০০, বাংলাদেশ
ফোন: ০২-২২৩৩৫৬৭৬২, মোবাইল: ০১৭৬১৮৫৫৩৫৭
ইমেইল: editor@islamiainobichar.com