প্রকাশকের কথা
‘আল-মাওসূ’আতুল ফিকহিয়্যাহ’ কুয়েত সরকারের ওয়াক্ফ ও ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত পঁয়তাল্লিশ খণ্ডের ‘ইসলামী ফিকহ বিশ্বকোষ’। এই বিশ্বকোষে আরবী আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ইসলামী আইনের প্রতিটি পরিভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সারা বিশ্বে এটি ফিক্সের ওপর একটি সর্বজনগ্রাহ্য বৃহৎ কাজ। ‘বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার’ এই বিশ্বকোষটি পর্যায়ক্রমে বাংলা ভাষায় প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কাজের প্রথম পদক্ষেপ ছিল ‘ইসলামের পারিবারিক আইন’ প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড। এর দ্বিতীয় পদক্ষেপ” ইসলামের ব্যবসায় ও বাণিজ্য আইন। ইতোমধ্যে “ইসলামের ব্যবসায় ও বাণিজ্য আইন” সম্পর্কে ৪টি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। এটি এই সিরিজের ৫ম খণ্ড, যেটিতে ২৮টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমরা আশা করি, এ গ্রন্থটিও পূর্ববর্তী গ্রন্থগুলোর ন্যায় বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক, ইসলামী আইনের গবেষক, ব্যবসায়ী, ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ও কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের ইসলামের ব্যবসায় ও বাণিজ্য আইন জানা ও গবেষণায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকিং এবং ব্যবসায়ে জড়িত ব্যক্তিকা, আইনের চর্চা ও আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকা ইসলামের ব্যবসায় ও বাণিজ্য বিষয়ক ইসলামী আইনের দালিলিক প্রমাণ ও প্রধান মাযহাবগুলোর বিশুদ্ধ ভাষ্য সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন। ফলে বাংলাভাষী সাধারণ মানুষ বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকিং, শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা এবং আইনচর্চা ও পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের অনেকের মধ্যে ইসলামী আইন সম্পর্কে যেসব ভুল ধারণা রয়েছে তা দূরীভূত হবে; সেই সাথে শিক্ষকমণ্ডলী ও দাওয়াত-কর্মীদের জ্ঞান আরো সমৃদ্ধ হবে। ফলে সমাজে ইসলামী শরীআহর চর্চা সহজতর হবে। বিশ্বব্যাপী ইসলামের নবজাগরণকে সামনে রেখে দেশবাসীকে ইসলামী আইন সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ গ্রন্থের প্রকাশ। পূর্বে প্রকাশিত খণ্ডগুলোর মতো এ খণ্ডটিও সুধী মহলে আদৃত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলামের সঠিক বিধান জানা এবং তা পালন করার তাওফীক দিন। আমীন।
বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার-এর পক্ষে
শহীদুল ইসলাম
নির্বাহী পরিচালক