সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর প্রতি; যিনি মানুষকে সৃষ্টি করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এবং পৃথিবীতেই মানুষের রিজিকের ব্যবস্থা করে হালাল ও পবিত্র রিজিক অন্বেষণে নির্দেশ প্রদান করেছেন। লক্ষ-কোটি দরুদ ও সালাম বিশ^মানবতার মুক্তির দিশারি হজরত মুহাম্মাদ সা.-এর প্রতি; যিনি মানুষকে হালাল পন্থায় রিজিক উপার্জনের পথ ও পদ্ধতি স্বীয় কর্মেও দেখিয়ে দিয়েছেন।
ইসলাম আল্লাহর মনোনীত একমাত্র দ্বীন বা পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানুষের ঈমান-আকিদা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক জীবনে আল্লাহর নির্দেশনা যেমন মেনে চলা আবশ্যক, অনুরূপভাবে ক্রয়-বিক্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন ও বণ্টন কীভাবে পরিচালিত হবে, সেক্ষেত্রেও মহান আল্লাহর বিধান মেনে চলা অপরিহার্য। ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষায় হারাম করা হয়েছে সুদ, মুনাফাখুরি, মজুতদারি, ফটকাবাজি ও কালোবাজারিসহ হারাম পন্থায় অর্থ উপার্জনের যাবতীয় পদ্ধতি। মানবসভ্যতার নিকৃষ্টতম শত্রু সুদের অভিশাপ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন। কিয়ামতের দিন বনি আদম যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত এক কদমও নড়তে পারবেন না, তার মধ্যে দুটি প্রশ্ন হলো অর্থসংক্রান্ত; মানুষ কোন পন্থায় সম্পদ উপার্জন করেছে এবং কোন পথে সম্পদ ব্যয় করেছে? এ থেকেই বোঝা যায়, মানুষের জীবনে সম্পদের প্রয়োজনীয়তা এবং সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।
‘ইসলামী ব্যাংকিং’ অর্থনৈতিক দর্শনের এক নান্দনিক বিকাশ। গত শতাব্দীতে বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের সবচেয়ে বড়ো অর্জন হলো ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উদ্ভাবন ও প্রসার। ইসলামী ব্যাংকিং মডেল বিশ্বজনীনতা তথা আন্তর্জাতিকভাবে গ্লোবাল ব্যাকিং-এর মর্যাদা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। ইসলামী ইতিহাসের সূচনালগ্নে বর্তমান প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা না থাকলেও ‘বায়তুল মাল’ ছিল সরকারি অর্থভান্ডার। বায়তুল মালের সব লেনদেন ছিল সুদমুক্ত। আব্বাসীয় খলিফা মুকতাদিরের (৯০৮-৯৩২) আমলে মুসলমানরা আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার অধিকাংশ মৌলিক কর্মকা- শুরু করে।
অষ্টাদশ শতাব্দীতে নানাবিধ রাজনৈতিক কারণে মুসলমানরা তাদের অর্থনৈতিক নেতৃত্ব হারাতে বাধ্য হয়। এমন ক্রান্তিলগ্নে পশ্চিমা শক্তি মুসলিম বিশ্বের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে সুদভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করে। সুদের শেকড় বিস্তার লাভ করে সর্বত্র। সুদের বেড়াজালে আবদ্ধ অর্থনীতি দরিদ্রতা, বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, শোষণ-জুলুম ও শ্রেণিসংঘাতের জন্ম দেয়। এমতাবস্থায় ইসলামী ব্যাংকিং এবং সুদমুক্ত অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ধারণা ছিল অকল্পনীয়। তবুও একটি সুদমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা বিনির্মাণে মুসলিম স্কলারগণ গবেষণায় মত্ত হন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিংশ শতাব্দীতে সুদমুক্ত ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নবজাগরণ শুরু হয়। ১৯৬৩ সালে মিসরে ড. আহমাদ আল নাজ্জার আধুনিক কালের সর্বপ্রথম ইসলামী ব্যাংক মিট গামার সেভিংস ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশে ইসলামী ব্যাংকিং চালু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশেও ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হবে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী। কুরআন-সুন্নাহ প্রদত্ত মূলনীতির আলোকে রচিত হয়েছে ইসলামী ফিকহবিজ্ঞান। ফুকাহায়ে কেরাম ফিকহে ইসলামীতে প্রাচীন ও আধুনিক অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধান উপস্থাপন করেছেন।
আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ মনে করে, প্রচলিত ব্যাংক এবং ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি এমন নয়। ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংক ও অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানসমূহের লভ্যাংশের টাকা পরিপূর্ণ হালাল ও শরিয়াহসম্মত আর প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লভ্যাংশের টাকা সরাসরি সুদ, হারাম ও শরিয়াহ পরিপন্থি।
তবে কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান যদি ইসলামের নাম দিয়ে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান চালাতে না পারে, তখন সেটি হবে তাদের ত্রুটি বা দুর্বলতা। তাই বলে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক ব্যাংক অথবা প্রতিষ্ঠান চালু করা সম্ভব নয়, তা মোটেই ঠিক নয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক অনেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সফলতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকসমূহে কোনো ত্রুটি বা বিচ্যুতি নেই, সেটি আমি দাবি করছি না; বরং যেসব ত্রুটি আমার নিকট পরিলক্ষিত হয়েছে, এ বইতে সেসব বিষয়েরও উল্লেখ আছে। আবার অনেক অসাধু ব্যবসায়ী আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ইসলামের নাম ব্যবহার করে সুদি ও অনৈসলামিক কারবার করছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও হারাম।
বইটিকে আমি মোট আটটি অধ্যায়ে ভাগ করেছিÑ
প্রথম অধ্যায়Ñ ব্যাংক : পরিচিতি ও ইতিহাস। এখানে ব্যাংকের পরিচয়, প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে শুরু করে প্রাচীন যুগের ব্যাংকিং ব্যবস্থা (৩০০০ খ্রিষ্টপূর্ব থেকে ৪১০ খ্রিষ্টাব্দ), বিভিন্ন সভ্যতায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা, মধ্যযুগের ব্যাংকিং ব্যবস্থা (৪০০-১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ), প্রাক-ইসলামী যুগ ও ইসলামী যুগের ব্যাংকিং ব্যবস্থা, খিলাফত ও সুলতানি আমলের ব্যাংকিং ব্যবস্থা, আধুনিক যুগের ব্যাংকিং ব্যবস্থা (১৪০০-১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দ), উত্তরাধুনিক যুগের ব্যাংকিং সিস্টেম (১৯৪৪-২০২২ খ্রিষ্টাব্দ), ভারতীয় উপমহাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ^ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ধারণা পেশ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় অধ্যায়Ñ মুদ্রাব্যবস্থার ইতিহাস। এটি সাধারণত ইসলামী ব্যাংকিং-এর বইসমূহে অনুপস্থিত থাকে। কিন্তু আমি মনে করেছি, ব্যাংকিং-এর সাথে মুদ্রাব্যবস্থার একটি যোগসূত্রতা রয়েছে, তাই এটির আলোচনা থাকা জরুরি। তাই এই অধ্যায়ে প্রাক-মুদ্রা ও মুদ্রাব্যবস্থা, মুদ্রার সেকাল-একাল, ডিজিটাল মুদ্রাব্যবস্থা, রাসূলুল্লাহ সা.-এর যুগের মুদ্রাব্যবস্থা, ইসলামী যুগের মুদ্রাব্যবস্থা, খোলাফায়ে রাশেদার যুগের মুদ্রাব্যবস্থা, খিলাফত ও সুলতানি আমলের মুদ্রাব্যবস্থা, আধুনিক মুদ্রাব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যস্ফীতি, হুন্ডি লেনদেন, মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং ইত্যাদি বিষয়ে শরিয়াহর বিধান, আধুনিক কারেন্সি পদ্ধতি, ক্রিপ্টো কারেন্সি/বিটকয়েন ইত্যাদি আলোচনা করা হয়েছে।
তৃতীয় অধ্যায়Ñ ইসলামী ব্যাংকিং : পরিচিতি, উদ্ভব ও মূল্যায়ন। এ অধ্যায়ে রয়েছে ইসলামী ব্যাংকিং পরিচিতি, ইসলামী ব্যাংকের উৎপত্তি ও বিকাশ, বিশেষ করে নববি যুগ (৬১০-৬৩২ খ্রি.), খোলাফায়ে রাশেদার যুগ (৬৩২-৬৬১ খ্রি.), স্কুলস অব ইসলামিক জুরিসপ্রুডেন্স, আধুনিক কালে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উদ্ভাবন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পেশ করা হয়েছে। অধিকন্তু এ অধ্যায়ে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং-এর বিকাশ ও উন্নয়নধারা, দেশে দেশে ইসলামী ব্যাংকিং আইন ও গাইডলাইন সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলোচনা রয়েছে।
চতুর্থ অধ্যায়Ñ ইসলামী ব্যাংকিং : অর্থ সংগ্রহ ও বিনিয়োগ পদ্ধতি। এ অধ্যায়ে রয়েছে, ইসলামী ব্যাংকিং-এর অর্থ সংগ্রহ ও বিনিয়োগ পদ্ধতিসমূহ, বিশেষ করে আল আমানাহ, আল ওয়াদি’আহ, আল মুদারাবা, আল মুশারাকা ইত্যাদি। ইসলামী ব্যাংকিং-এর আমানত গ্রহণ ও বিনিয়োগের মূল ক্ষেত্রই হলো মুদারাবা ও মুশারাকা। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকিং-এ বলতে গেলে মুশারাকা একপ্রকার অনুপস্থিত। প্রকৃত ইসলামী ব্যাংকিং-এর সুফল পেতে হলে মুশারাকায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এই অধ্যায়ে মুদারাবা ও মুশারাকাসংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা স্থান পেয়েছে।
পঞ্চম অধ্যায়Ñ ইসলামী ব্যাংকিং : অর্থায়নের অন্যান্য পদ্ধতি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকিং-এ বিনিয়োগ বলতেই বাই মুরাবাহাকেই ধারণা করা হয়। কারণ, ইসলামী ব্যাংকিং-এর মোট বিনিয়োগের তিন-চতুর্থাংশই হলো মুরাবাহা। মুরাবাহা মূলত বেচাকেনার একটি পদ্ধতি। তাই এই অধ্যায়ে ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকে বেচাকেনার বিভিন্ন পদ্ধতি মুরাবাহা , মুয়াজ্জাল, সালাম , র্সাফ, ইসতিসনা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। এর বাইরে শরিয়াহ ব্যাংকিং-এর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের লেনদেনসংক্রান্ত চুক্তি, যেমনÑআল ইজারাহ, আল ওয়াকালাহ, আল কাফালাহ, আল হাওয়ালাহ, আল জু’আলাহ ইত্যাদি বিষয়ও এ অধ্যায়ে উল্লিখিত হয়েছে।
ষষ্ঠ অধ্যায়Ñ আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকসমূহের অবদান। একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ এই অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং-এর পথচলা শুরু হয়। বর্তমানে দশটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক এবং প্রায় সকল প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো বা শাখা চালু রয়েছে। বাংলাদেশের মোট ব্যাংক ডিপোজিট ও ইনভেস্টমেন্টের এক-চতুর্থাংশ ইসলামী ব্যাংকসমূহের। গত চার দশকের পথচলায় ইসলামী ব্যাংকিং-এর নানা ধরনের উত্থান-পতন থাকলেও ইসলামী ব্যাংক যে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে, এটি বিনা দ্বিধায় বলা যায়। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানবকল্যাণে ইসলামী ব্যাংকসমূহের অবদানও এ অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে।
সপ্তম অধ্যায়Ñ ইসলামী ব্যাংকিং-এ শরিয়াহ পরিপালন বিষয়ে আলোচনা এ অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে। শরিয়াহ পরিপালন হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকের প্রাণশক্তি। শরিয়াহ পূর্ণভাবে পরিপালন করতে না পারলে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি মানুষের বিশ^াস ও আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। ইসলামী ব্যাংকিং-এর প্রতিষ্ঠাই হয়েছে ইসলামের সুমহান অর্থনৈতিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, মুনাফা অর্জনের জন্য নয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকসমূহের শরিয়াহ পরিপালনের ক্ষেত্রে উদাসীনতা; এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে শরিয়াহ লঙ্ঘনের অভিযোগও উত্থাপিত হচ্ছে। তাই এ অধ্যায়ে শরিয়াহ পরিপালনের গুরুত্ব, শরিয়াহ লঙ্ঘনের ক্ষেত্র এবং ধরন, শরিয়াহ লঙ্ঘনের কারণ ও এ থেকে প্রতিকারের উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
অষ্টম অধ্যায়ে ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থায়ন প্রক্রিয়াকে দিক নির্দেশনা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন- AAOIFI, IIFM, IIRA, IILM, CIBAFI, IRT, ITFC সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গঠন, তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
বইটিতে আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের আলোকে ইসলামী ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়সমূহ পাঠকের জন্য সহজবোধ্য করে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। মহান আল্লাহ আমার মতো অধমের এ প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং সবাইকে শরিয়াহর আলোকে নিজেদের জীবন গড়ে তোলার তাওফিক দান করুন, আমিন!
বই সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন-Islami Banking

